একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিল। তারা যখন নৌকা দিয়ে সাগর পাড় হচ্ছিল, তখন হঠাৎ একটি বড় ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা, কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভীত হয়ে ওঠে যেহেতু নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে তারা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এতে সে খুব নিরাশ হয়ে পড়ল। কিন্তু লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিল যেন কিছুই ঘটেনি। মহিলার আতঙ্কগ্রস্ত এবং কম্পিত কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি ভীত নন? এটাই আমাদের জীবনের শেষ মুহূর্ত হতে পারে! শুধুমাত্র কিছু অলৌকিক ঘটনা আমাদের রক্ষা করতে পারে; অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত।” লোকটি হাসতে হাসতে তার তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল। মহিলাটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পরল; সে আসলে কি করতে যাচ্ছে? তারপর সে তার খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায় গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল। সে বলল, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?” তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল, “আমি কেন ভয় পাব? তলোয়ারটিতো আপনার হাতে, কেন আমি ভয় পাব? আমি জানি যে আপনি আমাকে আনেক ভালবাসেন।” সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর রাখতে রাখতে বলল, “তুমি আমার উত্তর পেয়ে গেছ।” আমি জানি আল্লাহ আমাদের ভালবাসেন এবং ঝড় তাঁরই হাতে। তাই যাহা-কিছুই হতে যাচ্ছে ভালই হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি, ভালো; আর না বাঁচলেও, ভালো; কারণ সবকিছু তাঁর হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু করতে পারেন না। সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধি করো এবং তাঁর প্রতি বিশ্বাস রেখো যিনি তোমার জীবনকে পুরো বদলে দিতে সক্ষম। সবকিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে।
The blog purpose is to share the real life learning & gear up the level of motivation to achieve Life Goal & make yourself Happy.
শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
সবকিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে।
একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিল। তারা যখন নৌকা দিয়ে সাগর পাড় হচ্ছিল, তখন হঠাৎ একটি বড় ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা, কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভীত হয়ে ওঠে যেহেতু নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে তারা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এতে সে খুব নিরাশ হয়ে পড়ল। কিন্তু লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিল যেন কিছুই ঘটেনি। মহিলার আতঙ্কগ্রস্ত এবং কম্পিত কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি ভীত নন? এটাই আমাদের জীবনের শেষ মুহূর্ত হতে পারে! শুধুমাত্র কিছু অলৌকিক ঘটনা আমাদের রক্ষা করতে পারে; অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত।” লোকটি হাসতে হাসতে তার তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল। মহিলাটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পরল; সে আসলে কি করতে যাচ্ছে? তারপর সে তার খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায় গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল। সে বলল, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?” তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল, “আমি কেন ভয় পাব? তলোয়ারটিতো আপনার হাতে, কেন আমি ভয় পাব? আমি জানি যে আপনি আমাকে আনেক ভালবাসেন।” সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর রাখতে রাখতে বলল, “তুমি আমার উত্তর পেয়ে গেছ।” আমি জানি আল্লাহ আমাদের ভালবাসেন এবং ঝড় তাঁরই হাতে। তাই যাহা-কিছুই হতে যাচ্ছে ভালই হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি, ভালো; আর না বাঁচলেও, ভালো; কারণ সবকিছু তাঁর হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু করতে পারেন না। সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধি করো এবং তাঁর প্রতি বিশ্বাস রেখো যিনি তোমার জীবনকে পুরো বদলে দিতে সক্ষম। সবকিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হয়নি বলে মন খারাপ করোনা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হয়নি বলে মন খারাপ করোনা। বিশ্বাস রাখো সৃষ্টিকতা তোমায় নিয়ে এরচেয়েও আনেক ভালো পরিকল্পনা করে রেখেছেন। কাউকে চেনা এবং বুঝতে পারা সম্পুর্ন দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি । আমরা যতো জনকে চিনি তাদের সবাইকে কি আমরা বুঝি? অথচ কতো সহজেই মানুষ সম্পর্কে মন্তব্য করে বসি !! নারিকেলের কঠিন খোলের মাঝেই কিন্তু তরল পানিয় লুকিয়ে থাকে। আমার সব সমস্যা তুমি” দাঁড়াও, এটুকু শুনেই চলে যেও না। পুরো বাক্যটা তো “আমার সব সমস্যা তুমি আসার পর মিটে গেছে” – হতে পারে। ধোকা খেয়ে কখনো নিজেকে বোকা ভেবে কষ্ট পেয়ো না। মনে রেখো তোমার চাইতে ধোকা প্রদানকারী অনেক বেশি বোকা কারণ মানুষকে ধোকা দেয়া সম্ভব সৃষ্টিকর্তাকে নয়।
যাই ঘটুক না কেন আপনি কখনও হতাশ হবেন না।
বাবা একদিন সকালে পত্রিকা পড়ছিলেন। তার ছোট্ট ছেলেটি বাবাকে বারবার এটাসেটা প্রশ্ন করে পড়ায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। তখন বাবা তার ছেলেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে তিনি বইয়ের একটি পৃষ্ঠা ছিঁড়লেন যার উপরে বিশ্বের মানচিত্র আকা ছিল। তিনি পৃষ্ঠাটিকে টুকরো টুকরো করে ছিড়লেন এবং ছেলেকে তার রুমে যেয়ে টুকরো অংশগুলোকে জোড়া লাগিয়ে আবারও মানচিত্র তৈরি করতে বললেন।
তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে ছেলে পুরো দিন এইকাজে ব্যাস্ত থাকবে এবং পারবেনা। এবং তার বই পড়ায় আর বিরক্ত করবেনা। কিন্তু কিছু মুহূর্ত পরেই ছোট্ট ছেলেটি ছেড়া টুকরোগুলো জোড়া লাগিয়ে নিখুঁত মানচিত্র তৈরি করে নিয়ে এসে বাবকে দিল।
বাবা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে সে এত তাড়াতাড়ি কীভাবে এটি করল? ছেলেটি বলল, "ওহ .... বাবা, যে কাগজটি তুমি ছিড়েছিলে তার অন্যপিঠে একজন মানুষের মুখের ছবি ছিল। আমি কাগজের টুকরোগুলো উল্টাদিক করে সাজিয়ে মানুষের মুখটি নিখুত করে বানিয়েছি আবার, এর ফলে আপনা আপনিই পৃথিবীর মানচিত্রও ঠিক হয়ে গেছে। এই কথা বলে ছেলেটি পিতাকে বিস্মিত করে দৌড়ে চলে গেল।
সারমর্ম:
যাই ঘটুক না কেন আপনি কখনও হতাশ হবেন না। কারন প্রতিটি ঘটনা বা সমস্যারই অন্য দিক বা অন্য সমাধান সবসময় আছে। যখনই আপনি একটি চ্যালেঞ্জ বা একটি puzzling পরিস্থিতি সম্মুখীন হবেন, অন্য দিকে তাকান .... আপনি সমস্যা মোকাবেলা করার সহজ উপায় দেখতে পাবেন।
অফিসের বা প্রতিষ্ঠানের ছোট কর্মচারীও অনেক সময় অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে।
একবার এক রাজা দেশ ভ্রমনে বের হলেন। তিনি দেশের অবস্থা দেখার জন্য ওই অঞ্চলের সব রাস্তায় হেটে হেটে ভ্রমন করলেন। সারাদিন পরে যখন ভ্রমন শেষ করে প্রাসাদে ফিরলেন, তখন তিনি অনুভব করলেন তার পায়ে প্রচন্ড ব্যাথা। কারন তিনি যেসব রাস্তা দিয়ে ভ্রমন করেছিলেন সেই রাস্তাগুলো খুব অমসৃন ছিল। পরদিন তিনি রাজসভায় ধুকেই চরম রাগ দেখালেন ও সভাসদদের আদেশ দিলেন ওই অঞ্চলের সমস্ত রাস্তা চামড়া দিয়ে মুড়ে দেবার জন্য যেন তার পায়ে ব্যাথা না লাগে হাটার সময়। এই কাজ করতে গেলে দরকার অজস্র পশুর চামড়া ও জীবন নাশ। সাথে অবিশ্বাস্য খরচ ও অগনিত মানুষের অমানুষিক পরিশ্রম। কিন্তু রাজার আদেশ তাই ভয়ে কেউ কিছু বললনা। সবাই জ্বী হুজুর বলেই খালাস। রাজসভার কেরানি এককোনে দাঁড়িয়ে সব শুনে ভাবলো 'এ তো দেখি দেশ ধংস্বের পায়তারা করছে সবাই মিলে! সে তখন রাজাকে বলল" মহামান্য, আপনি যদি রাস্তাগুলো চামড়া দিয়ে না মুড়ে নিজের পা দুটোকে চামড়ার তৈরী জুতো দিয়ে মোড়ান তাহলেই এরপর থেকে রাজ্যভ্রমনের সময় আপনার পায়ে ব্যাথা করবেনা।" রাজা সামান্য নাপিতের এই সহজ সমাধান শুনে অবাক হয়ে গেলেন। তিনি তার এই বুদ্ধি সাদরে গ্রহন করলেন এবং রাজ্যের পশু ও মানুষ গুলো অনেক বড় বিপদ থেকে বেচে গেলো। শিক্ষাঃ অফিসের বা প্রতিষ্ঠানের ছোট কর্মচারীও অনেক সময় অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে। তাই সবাইকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
জীবন হচ্ছে প্রতিধ্বনির সমষ্টি।
এক বালক তার মায়ের সাথে অনেক রাগ করল। সে রাগ করে বারবার তার মাকে বলতে লাগল "আমি তোমাকে ঘৃনা করি", "আমি তোমাকে ঘৃনা করি"। তার রাগের পরিমান এত বেশি ছিল সে যে সে বাসা থেকে বেরিয়ে দূরে পাহাড়ের উপর দাড়িয়েও চিৎকার করে একই কথা বলতে লাগল। সে যতবারই একথা বলে ততবারই প্রতিধ্বনি হয়ে আর জোরে ওই কথা তার কানে ফেরত আসে। সে এর আগে কখনও প্রতিধ্বনি শোনেনি। তাই খুব ভয় পেয়ে এক দৌড়ে বাসায় মায়ের কাছে এসে মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, মা, ওই পাহাড়ে একটা খুব খারাপ ছেলে থাকে সে আমাকে বারবার বলে "আমি, তোমাকে ঘৃনা করি"। মা তার অবস্থা বুঝতে পারলেন। তিনি এবার ছেলেকে বললেন, তুমি আবার পাহাড়ে যাও এবং চিৎকার করে বল, "আমি তোমাকে ভালবাসি"। বালকটি এবার তাই করল ও হাসতে হাসতে বাসায় ফিরে আসলো। জীবন হচ্ছে প্রতিধ্বনির সমষ্টি। আপনি যা করবেন শুধু তাই ফেরত পাবেন। এখন আপনি আপনার Wish List ঠিক করুন।
জীবনের খারাপ সময়ে ঘাবড়ে না যেয়ে ভাল সময়ের ফিরিয়ে নিয়ে আনার জন্য লড়াই করা দরকার।
এক বৃদ্ধ লোকের ৪ সন্তান ছিল। তিনি চাইলেন তাদেরকে শেখাতে কেন দ্রুত কোনকিছুর বিচার করতে হয়না। তাই তিনি ৪ সন্তানকে ডেকে দূরের গ্রামে একটি আম গাছ দেখতে পাঠালেন, কিন্তু ৪ জনকে একইসাথে না পাঠিয়ে পর্যায়ক্রমে গ্রীষ্ম, শরত, শীত ও বসন্ত ৪ ঋতুতে পাঠালেন। আমগাছটি সবাই দেখে আসার পর ১ম ছেলে বাবাকে বলল, গাছটি দেখতে অনেক কুৎসিত ও মরা। ২য় ছেলে প্রতিবাদ করে বলল, না, গাছটি সবুজে ভরপুর। ৩য় ছেলে বলল, গাছটি হলুদ ফুলে ভরপুর ও ঘ্রাণযুক্ত। ৪র্থ ছেলে বলল, না, গাছটি এখন ফলে ফলে ভরে আছে ও নতুন জীবনের জন্মদানে মগ্ন। বাবা হেসে বললেন, তোমরা সবাই ঠিকই বলেছ, তবে আংশিকভাবে। আমরা বেশিরভাগ সময়ই মানুষের এক একটা দিক দেখে বিচার করি। তাই সবসময় সবদিক বা সবঅবস্থা দেখার পর কোন জিনিস বা মানুষকে বিচার করা উচিত। এবং জীবনের খারাপ সময়ে ঘাবড়ে না যেয়ে ভাল সময়ের ফিরিয়ে নিয়ে আনার জন্য লড়াই করা দরকার।
পৃথিবী আপনার কাজের দিকে মুগ্ধ হয়ে থাকবে অপেক্ষা করুন, পরিশ্রম করুন আর প্রার্থনা করুন।
একটা হাতি আর একটা কুকুর একই সাথে প্রেগনেন্ট হলো। ৩ মাসের ব্যবধানে কুকুরটি ৩টি ছানা প্রসব করলো। ৬ মাস পরে কুকুরটি আবার প্রেগনেন্ট হলো আর নয় মাস পরে এক ডজন বাচ্চা প্রসব করলো। এই ভাবে পালাক্রমে চলতেই থাকলো।
১৮ তম মাসে, কুকুরটি হাতিটিকে বললো,
"তুমি কি নিশ্চিত যে তুমি প্রেগনেন্ট? আমরা একই সাথে প্রেগনেন্ট হয়ে ছিলাম, এর মাঝে আমি ৩ বারে ডজন খানেক বাচ্চা প্রসব করেছি,আর সেগুলো এখন প্রাপ্ত বয়স্কও হয়ে গেছে, , কিন্তু তুমি এখনও প্রেগন্যান্ট"।
মা হাতিটি উত্তর দিলো, আমার পেটে কুকুর ছানা না,
হাতি ছানা বেড়ে উঠছে, আমি দুই বছর পর পর বাচ্চা
প্রসব করি, যখন বাচ্চাটা পৃথিবীর মাটি স্পর্শ করে, পৃথিবীর মাটি বুঝতে পারে, যখন বাচ্চাটা বড় হয়ে রাস্তা পার হয়, লোকজন দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে দেখে, যে বাচ্চাটা আমি পেটে ধারন করি, সেটা মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়।
গল্পটা এইজন্য বলা, যখন আসে পাশের মানুষের দোয়া কবুল হতে দেখবেন, তাদের সফলতা দেখবেন, হতাশ হবেন না। নিশ্চয় সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত সফলতা নির্ধারণ করে রেখেছেন, যখন আপনার জন্য বরাদ্দ সেই রহমত আসবে, পৃথিবী আপনার কাজের দিকে মুগ্ধ হয়ে থাকবে অপেক্ষা করুন, পরিশ্রম করুন আর প্রার্থনা করুন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
করপোরেট দুনিয়ায় ‘জেন-জি’ কর্মী ব্যবস্থাপনা
জেন-জিদের কর্মস্থলে কার্যকরভাবে হ্যান্ডলিং করা বা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য তাদের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য এবং মানসিকতার দিকে নজর দিতে হব...
-
The Dhaka is a amazing city, amazing it’s people…everything are amazing in it ………..
-
জেন-জিদের কর্মস্থলে কার্যকরভাবে হ্যান্ডলিং করা বা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য তাদের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য এবং মানসিকতার দিকে নজর দিতে হব...
-
নিজের শিকড়কে অবজ্ঞা করবেন না, বন্ধু। এক গ্রামে একটি বড় আম গাছ ছিল। সেই গাছের তলায় প্রতিদিন একটি বালক খেলা করত, গাছের ডালে চড়ত...




